আপডেট : ১২ July ২০২২
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার টরকী বন্দর দক্ষিণাঞ্চলের চামড়া বেচাকেনার মোকাম হিসেবে পরিচিত। এ খানকার চামড়ার ব্যবসায়ীরা লবণের দাম বৃদ্ধি, কোরবানির পশুর চামড়ার কম দাম ও চাহিদা না থাকায় বিক্রি করা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। কোরবানির পর পর ঢাকার ট্যানারির মালিকরা টরকী থেকে প্রতি বছর চামড়া কিনে নিজস্ব পরিবহনে চামড়া নিয়ে যায় ঢাকায়। এ বছর ট্যানারির কোনো মালিক না আসায় চামড়া নিয়ে দুঃচিন্তায় পরেছেন ব্যবসায়ীরা। চামড়া সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় চামড়া পচনের আশঙ্কা করছেন এসব মৌসুমীসহ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। চামড়া শিল্পকে বাঁচানোর প্রধান মন্ত্রীর কাছে দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা। বরিশালের বিভিন্ন উপজেলা ও পার্শ্ববর্তী মাদারীপুরসহ কয়েকটি জেলা থেকে গৌররনদী উপজেলার টরকী বন্দরে গ্রাম থেকে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা চামড়া ক্রয় করে এ বৃহত্তর পাইকারী মোকাবে চামড়া বিক্রি করেন। প্রতিবছর ঈদের দিনে কোরবানির পশু জবাই করার পর পরই মৌসুমী ব্যবসায়ীরা হাজির হন চামড়া কেনার জন্য। কিন্তু এবার উল্টো চিত্র দেখা গেছে। এবার কোনো মহাজনই চামড়া নেবেন না। তাই চামড়ার দাম গত ত্রিশ বছরের তুলনায় খুবই কম। পশুর চামড়ার দাম ১০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকায় চামড়া বিক্রি হয়েছে। ছাগল ও গাভীর চামড়া বিক্রিই হচ্ছেনা। টরকীতে চামড়া কেনার বড় মোকাম হলেও এবারে ঢাকা থেকে মহাজনরা চামড়া কিনতে না আসায় ব্যবসায়ীরা হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১