আপডেট : ১৩ May ২০২৩
তৈয়ব আলী সরকার, নীলফামারী প্রতিনিধি:
আধুনিক নার্সিং পেশার রূপকার ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের জন্মদিন উপলক্ষ্যে নীলফামারীতে প্রতিবছরের ন্যায় ‘আন্তর্জাতিক নার্স ও মিডওয়াইফারী দিবস’ পালিত হয়েছে।
শুক্রবার (১২ মে) সকাল ১১টার দিকে নীলফামারী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের কর্মরত সিনিয়র স্টাফ নার্স ও মিডওয়াইফদের আয়োজনে ‘আন্তর্জাতিক নার্স ও মিডওয়াইফারী দিবস’ উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র্যালী, কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের উপসেবা তত্বাবধায়ক নাসিমা খাতুন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপসেবা তত্বাবধায়ক শিখা রানী, নাসিং সুপারভাইজার আনোয়ারা খাতুন, মির্জা আকতার, সিনিয়র ষ্ট্যাপ নার্স বিলকিস বানু ও আব্দুর রাজ্জাক,রেডিওলজি নূরজ্জামান সরকার প্রমুখ। এসময় সিনিয়র-জুনিয়রসহ ১৪২ জন নার্স উপস্থিত ছিলেন।
অপরদিকে, একই দিনে পৃথকভাবে নীলফামারী নাসিং ও মিডওয়াইফারী কলেজ ও ডায়াবেটিক সমিতির র্যালী, কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভার আগে কলেজ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালী বের হয়ে জেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক সড়ক দক্ষিণ করে পুনরায় কলেজের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। এ সময় নাসিং ইন্সটেক্টর ও ইনচার্জ রাবেয়া খাতুনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সিভিল সার্জন ডা. মো. হাসিবুর রহমান।
তিনি বলেন, ১৮২০ সালের ১২ মে ফ্লোরেন্স শহরে এক সভ্রান্ত পরিবারে জন্ম হয় নাইটেঙ্গল নামের এক নারীর। ফ্লোরেন্স শহরের নাম অনুশারে তাঁর নাম রাখা হয় ফোøরেন্স নাইটেঙ্গল। মানবসেবায় অসামান্য অবদানের জন্য তাকে উপাধি দেয়া হয় লেডি ইউথ দি ল্যাম্প। যিনি তাঁর কর্মের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করেছেন নাসিং একটি পেশা নয় সেবা। ১৯৬৫ সাল থেকে ১২ মে আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবস হিসেবে পালন করা হয়। আমাদের নার্স, আমাদের ভবিষ্যৎ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিবসটি পালিত হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন, নাসিং ইন্সটেকক্টর মো. বাদশা আলমগীর, সুরাইয়া বেগম, এমএ পলাশসহ নাসিং কলেজের ৪৫০ জন শিক্ষার্থী।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১