আপডেট : ০৭ October ২০২৩
সাইফুল ইসলাম,সিংগাইর( মানিকগঞ্জের ) প্রতিনিধি : মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার চান্দহর ইউনিয়নের নদীর তীরবর্তী পালপাড়া গ্রামের সাহেরা বেওয়া। ছয় সন্তানের জননী । স্বামী মারা গেছেন বিশ বছর আগে। এখন বয়স হয়েছে পচাত্তর বছর। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বাষট্টি বছর হলেই বয়স্ক ভাতার আওতায় আসার কথা কিন্তু সাহেরা বেওয়ার বয়স পচাত্তর পার হলেও বয়স্ক ভাতার আওতায় আসেননি তিনি। আর কত বয়স হলে বয়স্ক ভাতার কার্ড পাবেন সাহেরা বেওয়া । স্বামীর জায়গা জমি বলতে মাত্র ছয় শতক জমি রেখে গেছেন। সেই জমিতে কোন রকম ঘর তুলে চার ছেলে বসবাস করছেন। ছেলেদের সংসার চালাতে নুন আনতে পান্তা ফুরানোর দশা। সাহেরা বেওয়া চার ছেলের মধ্যে খান। ছেলেদের সংসারে অভাব অনটন দেখে তার কপালে সবসময় ৷ চিন্তার বাজ থাকে। সাহেরা বেওয়া আগে সব ধরনের কাজকর্ম করতো পারতো। এখন বয়স হয়েছে , শরীরে অসুখ বিসুখে বাসা বেধেছে , চোখেও কম দেখেন,কানেও কম শোনেন। শরীরের চামড়া বাজ পড়ে গেছে। বয়সের ভারে নব্জ তিনি। ছেলেরা যে উপার্জন করেন তাতে মায়ের বাড়তি চাহিদা মেটাতে পারেন না। ছেলদের কষ্টের কথা বলতে গিয়ে ছাহেরা কেঁদে দিয়ে বলেন, ”এই বয়সে আমার ঔষধপত্র পান, সুপারি লাগে। ছেলেদের কাছে চাইবো কি তাদেরই সংসার চালাতে কষ্ট । সরকার কতজনকে চাল, ডাল, ভাতার কার্ড দিল আমরা পাইলাম না। মেম্বার চান মিয়ার কাছে এসব সাহায্যে কথা বললে তিনি বলেন, ভোট যারে দিয়েছো তার কাছে যাও। কত বললাম একটু সাহায্যে পাইলে আমার পুলাপানের একটু হলেও চাপ কম হতো। কতজন ভাতা পাইলো আমাগো মেম্বার ভাতা দিলনা। ইউপি সদস্য চান মিয়া বলেন, ভোটের জন্য কার্ড দেই নাই এরকম অভিযোগ সত্য নয়। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ শওকত হোসেন বাদল বলেন , সাহেরা বেওয়া যাতে ভাতা পায় সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১