আপডেট : ০৮ October ২০২৩
নাটোর প্রতিনিধি: দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে গত ১৩ বছরে নাটোর জেলায় আওয়ামী লীগের ৬ নেতা-কর্মী ছাড়াও খুন হয়েছেন আরও ৬ যুবলীগ নেতাকর্মী। এতে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন ত্যাগী নেতাকমীরা। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে অভ্যন্তরীণ কোন্দল বন্ধ না হলে প্রকারান্তরে তা আওয়ামীলীগের জন্যই ক্ষতির কারণ হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এছারাও সিংড়ার বামিহালে বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতাসিন দলের ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠা একাধিক গ্রুপ আধিপত্য বিস্তারে একে অপরের ওপর হামলায়। গত প্রায় দেড় যুগে তিন আমর্ড পুলিশ সহ ৯জন সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে সর্বহারাদের হামলায় ৩ আমর্ড পুলিশ নিহত হন। তথ্যমতে জানা যায়, গত ৩ সেপ্টেম্বর নাটোরের লালপুরে আওয়ামী লীগ নেতা ওসমান গনিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওসমান গণি লালপুরের কদিমচিলান ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক হত্যার প্রধান আসামি ও ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। রাজ্জাক হত্যাকাণ্ডের বদলা নিতে প্রকাশ্যে খুন করা হয়েছে আওয়ামী লীগ নেতা ওসমান গণিকে (৫০)। এভাবে গত ১৩ বছরে দলীয় কোন্দলে আওয়ামী লীগ-যুবলীগের অন্তত ১২ নেতা-কর্মী খুন হয়েছেন। এসব খুনের পাশাপাশি সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অনেক নেতা-কর্মী। গত ১৬ মে নাটোরে জেলা আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর নান্নু শেখকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে জখম করা হয়। নান্নু শেখের ওপর এই হামলার জন্য প্রতিপক্ষ ওয়ার্ড যুবলীগ সাধারন সম্পাদক মিঠুন আলী ও তার সমর্থকদের দায়ী করেছেন জেলা আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রমজান। হামলাকারীরা স্থানীয় এমপি শফিকুল ইসলাম শিমুলের অনুসারি এবং আওয়ামীলীগে অনুপ্রবেশকারী বিএনপি -জামায়াত থেকে আসা হাইব্রিড বলে অভিযোগ করেন শরিফুল ইসলাম রমজান। সম্প্রতি এই হাইব্রীডদের হামলার শিকার হয়েছেন রিওন ,আশাসহ আওয়ামীলীগের বেশ কয়েকজন নেতা কর্মী। অপরদিকে গত ২৫ জুলাই নাটোরে কুপিয়ে ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মিঠুন আলীর হাতের কব্জি কর্তনসহ ৫ জনকে জখম করার ঘটনায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রমজানসহ ৩০ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত আরও ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর আগে ২৩ জুলাই রাত সাড়ে ৯টার দিকে শহরের বলারিপাড়া এলাকায় পৌরসভার ৩ নম্বর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মিঠুনকে কুপিয়ে হাতের কবজি কেটে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে দলের সাধারন সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রমজান অনুৃসারীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মিঠুনের ভাই স্বপ্নসহ আরও ৫ জন আহত হয়। গুরুতর আহত মিঠুনকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়। এই মামলায় ৫ জনেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত পৌরসভা নির্বাচনে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী নান্নু শেখ ও যুবলীগ নেতা মিঠুনের মধ্যে ভোটের সময় থেকেই বিরোধ চলে আসছিল। দুই নেতার মধ্যে নান্নু শেখ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রমজান অনুসারী আর যুবলীগ নেতা মিঠুন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শিমুল এমপির অনুসারী। অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০১৪ সালে নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের প্রয়াত নেতা নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল কুদ্দুস। ওই কমিটির সাধারণ সম্পাদক করা হয় সদর আসনের এমপি শফিকুল ইসলাম শিমুলকে। আরেক প্রভাবশালী নেতা শরিফুল ইসলাম রমজানকে যুগ্ম সম্পাদক করা হয়। কিন্তু অভ্যন্তরীণ কোন্দলে প্রয়াত সংসদ সদস্য আবদুল কুদ্দুসের সঙ্গে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে জড়ান সদর আসনের সংসদ সদস্য শিমুল। কোন্দল চরম পর্যায়ে পৌঁছালে কুদ্দুসকে দীর্ঘদিন নাটোর শহরে দলীয় কার্যক্রম চালাতে দেননি শিমুল। সে সময় আওয়ামী লীগের এই দুই নবীণ-প্রবীণ নেতা একে অপেরর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলেন। টানা ৮ বছর পর ২২ সালের সম্মেলনে নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের পূনরায় সভাপতি নির্বাচিত হন কুদ্দুস। তিনি এ বছরের ৩০ আগস্ট মারা গেছেন। ওই কমিটিতে শিমুলকে বাদ দিয়ে সাধারণ সম্পাদক করা হয় শরিফুল ইসলাম রমজানকে। ওই সম্মেলনের আগের রাতে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। আধিপত্যের চরম লড়াই ছড়িয়ে পড়ে নাটোরের ছয়টি উপজেলাতেও। বর্তমানে নাটোর-২ আসনের প্রার্থী হতে শিমুল ও রমজান গ্রুপের মধ্যে চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। অনুসন্ধান বলছে, এসব কোন্দলের জেরে আওয়ামী লীগের বিবাদমান দুইপক্ষের মধ্যে হামলা-মামলার রাজনীতি শুরু হয়। দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে ১৩ বছরে আওয়ামী লীগের ৫ নেতা-কর্মী এবং গত ৭ বছরে যুবলীগের ৬ নেতা খুন হয়েছেন। হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়াদের মধ্যে ২০১৪ সালের ১৮ জানুয়ারি নাটোরের সিংড়ার কলম ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা ফজলুর রহমানকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বত্তরা। একই বছরের ৭ সেপ্টেম্বর নাটোর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোজাম্মেল হক মজনুকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ২০১৬ সালের ৩১ জুলাই দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হন লালপুরের অর্জুনপুর বরমহাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্বাস উদ্দিন। ২০১৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর বড়াইগ্রামের বাহিমালি গ্রামে খুন হন মাঁঝগাও ইউনিয়নের ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু রায়হান। ২০২২ সালের ১০ অক্টোবর আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত হন সিংড়ার সুকাশ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফতাব উদ্দিন। এর আগে ২০১০ সালে নাটোর শহরের ভাটপাড়ায় আওয়ামী লীগের এক কর্মীকে জবাই করে হত্যা করা হয়। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ২০১৫ সালে ৫ মার্চ রাতে নাটোর শহরের ঝাউতলা এলাকায় কুপিয়ে হত্যা করা হয় সিরাজ শিকদারকে। তিনি নাটোর পৌর সভার ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ২০১৬ সালের ৩ মে হত্যা করা হয় যুবলীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাককে। তিনি সদর উপজেলার তেবাড়িয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সহসভাপতি ছিলেন। ২০১৮ সালের ১৮ মার্চ নাটোর শহরের কানাইখালী এলাকায় প্রকাশ্যে হত্যা করা হয় যুবলীগ নেতা ইমরানকে। তিনি নাটোর পৌর শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন। একই বছরের ২৮ নভেম্বর জেলার লালপুরে খুন হন যুবলীগ নেতা জাহারুল ইসলাম। তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। তিনি লালপুর উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি লালপুরের গোপালপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সহসভাপতি জামিরুল ইসলামকে নিজ বাড়ির সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। একই বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি যুবলীগ নেতা হাসান আলীকে নাটোর শহরের বড়হরিশপুরের দত্তপাড়া বাজারে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হাসান আলী ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি ছিলেন। অপর এক অনুসন্ধান মতে, জেলার সিংড়া বামিহালে গত প্রায় দেড় যুগে তিন আমর্ড পুলিশ সহ ৯জন সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে সর্বহারাদের হামলায় ৩ আমর্ড পুলিশ নিহত হন। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ২০০৩ সাল থেকে এই গ্রামে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠে নেতৃত্বের আধিপত্ত্য। এই সময় সর্বহারাদের কার্যক্রম স্থিমিত হয়ে পড়ে। তবে ২০০৫ সালে বামিহাল পুলিশ ফাঁড়িতে সর্বহারা সদস্যরা হামলা চালিয়ে ফাঁড়ি লুট সহ ৩ আমর্ড পুলিশকে হত্যা করে। এই ঘটনার পরবর্তী সময়ে বামিহাল পুলিশ ফাঁড়ি প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। এই পুলিশ ফাঁড়ি প্রত্যাহার করার পর থেকে এলাকার আধিপত্য নিয়ে বিএনপি রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠা কুদ্দুস বাহিণীর সাথে আফজাল বাহিনীর বিরোধ চরমে ওঠে। শুরু হয় হামলা -পাল্টা হামলার ঘটনা। ২০০৩ সালে আফজালের অনুসারি আফতাব খন্দকারের মা চাম্পা বেগম সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হন। এদিন প্রতিপক্ষ কুদ্দুস অনুসারিরা আফতাবের বাড়িতে হামলা চালায়। কিন্তু না পেয়ে তার মা চাম্পা বেগমকে হত্যা করে। এই হত্যাকান্ডই বামিহাল গ্রামের প্রথম খুনের ঘটনা ঘটে। এর পর থেকে শুরু হয় একে অপরের ওপর হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা। এর পর একে একে খুনের ঘটনা ঘটতে থাকে। প্রতিপক্ষদের হামলায় খুন হন শাজাহান, আনসার আলী,সোহান,আইয়্যুব আলীসহ ৫ জন। ক্ষমতার পট পরিবর্তন হলেও এদের রাজনৈতিক পরিচয়ও পরিবর্তন হয়। ২০০৮ সালে আওয়ামীলীগ রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় আসার পর আফজাল বাহিনী দল পাল্টে আওয়ামীলীগ বনে যান। অপরদিকে কুদ্দুস বাহিনীর অনুসারিরা কুদ্দুসের ভাই ফরিদ উদ্দিনের মাধ্যমে আওয়ামীলীগ বনে যায়। অভিযোগ রয়েছে ২০১৩ সালে ফরিদ ও কুদ্দুস বাহিনীর অনুসারিরা ১ নং ওয়ার্ড মেম্বার আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল জলিলকে প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়ে হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন করে। একই বছরে ফরিদ উদ্দিন অস্ত্র সহ র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে ফরিদ ফেনসিডিল সহ বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া থানায় গ্রেফতার হন। ২০১৯ সালে আফজাল বাহিনীর প্রধান আফজাল ও তার ভাই আনসার বন্দুক যুদ্ধে নিহত হওয়ার পর আফতাব খন্দকার এই গ্রুপের নেতৃত্বে আসেন। এসময় আফতাব ওর্য়াড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক হন। আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আব্দুল জলিল বলেন,বামিহাল গ্রামের নেতৃত্বদানকারীরা সুযোগ সন্ধানী। যখন যে দল ক্ষমতায় আসে তখনই এরা ভোল পাল্টে সেই দলেই ভিরে যায়। এরা প্রভাবশালী হওয়ায় এদের ভয় পায় সাধারন মানুষ। দলীয়ভাবেও এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়না। তবে প্রশাসন এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেও অদৃশ্য শক্তির বলে ছাড়া পেয়ে যায়। পরবর্তীতে অদৃশ্য ওই শক্তির চাপে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। নাটোর সদর উপজেলার দিঘাপতিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম সরকার ও ছাতনী ইউনিয়নপর ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নূরু জানান, ওই দুই গ্রুপের কোন্দলে তারাও বেকায়দায় পড়েছেন। এক গ্রুপের ডাকে গেলে আরেক গ্রুপ রাগ করেন। তাদের মতো অন্যরাও একই সমস্যায় রয়েছেন। আবার নিজেদের মধ্যে ওই কোন্দলের জেরে ঘটছে একের পর এক নিজেদের লোকের মৃত্যু, হামলা আর মামলার ঘটনা। এভাবে চলতে থাকলে আগামী নির্বাচনে নৌকার পক্ষে কাজ করতে তারা অনিরাপদ মনে করছেন। তারা দলীয় স্বার্থ বিবেচনায় ওই কোন্দল দ্রুত নিস্পত্তি করতে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ ও দলীয় নেত্রী প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান। নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, নাটোর সদর আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুল ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ও নাটোর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলামকে ঘিরে বিবাদমান আওয়ামীলীগের দুটি গ্রুপ। জেলায় আধিপত্য বিস্তার ও নৌকার মনোনয়ন নিশ্চিতে ওই দুই গ্রুপের প্রভাবেই ওই কোন্দলের সূত্রপাত এমন মনে করেন আওয়ামীলীগের,ত্যাগী নেতা-কর্মীরা। নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রমজান বলেন, ‘তিনি সবারই রাজনৈতিক নেতা। হামলাকারী ও আহত ব্যক্তিরা সবাই সন্ত্রাসী। পরস্পরের মধ্যে একাধিক সংঘাত হয়েছে। তার সঙ্গে কোনো নেতা-কর্মীর পক্ষপাতিত্ব নেই। মূলত জামায়াত-বিএনপির অনুপ্রবেশকারীরা আওয়ামী লীগে কোন্দল তৈরি করে এসব হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছেন। এসব ঘটনার নিন্দা এবং দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে জড়িতদের গ্রেফতার ও তাদের বিচারের আওতায় আনার দাবিসহ পুলিশ তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে, এটাই আশা করছি।’ অপরদিকে নাটোর সদর আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুল জানান, তিনিই নাটোর জেলা আওয়ামী লীগকে সংবদ্ধ রেখেছেন। আগে কিছু বিছিন্ন ঘটনা ঘটলেও বর্তমানে শান্ত রয়েছে। অনেকেই দলের নাম ভাঙিয়ে নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা-মামলা করছেন। এসব রোধে জেলা আওয়ামী লীগ সব সময় প্রস্তুত আছে। আমরা ঐক্যবদ্ধ থেকে বিএনপি জামায়াতের ষড়যন্ত্র আওয়ামী লীগ নাটোরের পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম জানান, পুলিশ সব সময়ই বিশৃঙ্খলা এড়াতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। কোনো অভিযোগ পেলে সঙ্গে সঙ্গে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এছারাও বিভিন্ন হত্যা মামলার পলাতক এবং সাজা প্রাপ্ত আসামিকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১