আপডেট : ১৩ November ২০২৩
আ ন ম সানাউল্লাহ -চট্টগ্রাম : আগামী কাল মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের দ্বার খুলতে যাচ্ছে। চট্টগ্রামের প্রথম দীর্ঘ ১৬ কিলোমিটার এই মেগা প্রকল্প এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে টি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মঙ্গলবার চট্টগ্রাম পতেঙ্গা বিমানবন্দর থেকে নগরীর টাইগারপাস পর্যন্ত প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সাথে উদ্বোধন হবে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) এর আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাকলিয়া এক্সেস রোড ও ডিটি-বায়েজীদ সংযোগ সড়ক। এক্সপ্রেসওয়ে টি চালু হলে ১৬ কিলোমিটারের রাস্তা মাত্র ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম শহর থেকে বিমানবন্দর পৌঁছানো যাবে। যার ফলে শাহ আমানত সেতু থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের আওতায় চলে আসবে। শাহ আমানত সেতু থেকে বহদ্দারহাট পর্যন্ত সড়ক ও জনপথ বিভাগ ছয় লেনের একটি রোড নির্মাণ করেছে। এতে সড়কে বিরতিহীনভাবে গাড়ি চলাচল করতে পারবে ।তবে সেক্ষত্রে দিতে হবে নির্ধারিত হারে টোল।সিডিএ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালে।প্রায় ৪হাজার পাঁচশত কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির কাজ ইতোমধ্যে ৯০ ভাগ শেষ হয়েছে।উঁচু বিল্ডিং ও ইমারতের ওপর মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা এক্সপ্রেসওয়ে সড়ক যান চলাচলের জন্য এখন প্রস্তুত। এতে দুরুত্ব ,সময় এবং যানজট কমাবে বঙ্গবন্ধু টানেল, বন্দর ও ইপিজেডকেন্দ্রিক যাতায়াত কারীদের। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এম জহিরুল আলম দোভাষ বাংলাদেশের খবর কে বলেন, আজ ১৪ নভেম্বর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েসহ প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম উন্নয়ন কতৃপক্ষের তিনটি প্রকল্প উদ্বোধন করবেন। এই তিন উন্নয়ন প্রকল্পের ফলে মানুষ দ্রুত সময়ে গন্তব্যে যাতায়াত করতে পারবে। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বায়েজিদ লিংক রোড ও বাকলিয়া এক্সেস রোড প্রকল্প উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম নগরে সড়ক যোগাযোগে বড় পরিবর্তন ঘটতে যাচ্ছে।নগরীর যানজটও অনেকাংশে দূর হবে বলে মনে করেন। উদ্বোধনের পর কোন কোন অংশ খুলে দেওয়া সেই প্রশ্নের জবাবে প্রকল্প পরিচালক ও সিডিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান বাংলাদেশের খবর কে বলেন, পতেঙ্গা টানেলের মুখ থেকে টাইগারপাস পর্যন্ত গাড়ি চলাচলের জন্য প্রস্তুত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। আপাতত এই অংশ খুলে দেওয়া হবে। তবে লালখান বাজার থেকে টাইগারপাস অংশের কাজ শেষ না হওয়ায় এটি এখনই খুলে দেওয়া হচ্ছে না। এক থেকে দু’মাসের মধ্যে বাকি সব কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) সূত্র মতে জানা যায় , এ প্রকল্পটির যৌথভাবে নির্মাণকাজ পায় বাংলাদেশী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স ও চীনা প্রতিষ্ঠান র্যাঙ্কিন। ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পিলার পাইলিং কাজ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রকল্পের কাজ ২০২২ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন জটিলতার কারণে মেয়াদ ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।পরে ২০২২ সালের নকশা ‘সংশোধন করে আরও এক হাজার ৪৮ কোটি টাকা (আগের ব্যয়ের চেয়ে ৩২ শতাংশ) ব্যয় বাড়িয়ে মেয়াদ ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়।
চট্টগ্রাম নগরীর নাছিরাবাদ বায়েজিদ মাইজপাড়া এলাকার বাসীন্দা রাব্বি হোসেন বাংলাদেশের খবর কে বলেন,আমরা চট্টগ্রামবাসী পাতাল জয়ের পর কক্সবাজারের রেলপথ জয় করেছি । আজ থেকে উড়াল সড়কের স্বপ্ন বাস্তবায়ন হলো। এটা আমাদের জন্য বড় পাওয়া।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১