বাংলাদেশের খবর

আপডেট : ১৪ February ২০২৪

সিংগাইরে একাধিক  রাস্তা নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ  


সাইফুল  ইসলাম (সিংগাইর  মানিকগঞ্জ):

 মানিকগঞ্জ সিংগাইরে জামির্ত্তার বিন্নাডাংগি টু বকচর খামার ও গোলাইডাংঙ্গা আব্দুলের বাড়ী হতে  বড় কালিয়াকৈর রাস্তা নির্মাণের শুরুতেই নিম্ন মানের নির্মাণ সামগ্রী  ব্যবহার করে রাস্তা পাকা করণের নজিরবিহীন অনিয়মের  অভিযোগ উঠেছে মের্সাস নির্মাণ প্রকৌশলী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধারী আবু সাইদের  বিরুদ্ধে। 

এ নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী  দিয়ে রাস্তার কাজ করার কারণে অল্পদিনেই  কার্পেটিং উঠে গিয়ে রাস্তা ভেঙ্গে  খানা খন্দে  চলাচলের অনুপযোগী হওয়ার আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা। এলজিইডি অফিসের কার্য সহকারী এনামুল হকের সামনেই এনিয়ম অব্যাহত  রয়েছেন।  রক্ষকের সামনেই   কিভাবে নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করছে তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চাপা ক্ষোভ ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার জামির্ত্তা   ইউনিয়নের  পুলিশ ফাঁড়ির দক্ষিণ পাশের  ব্রিজ  হতে  বকচর খামার বাড়ী  পর্যন্ত তিন  কিলোমিটার রাস্তা পাকা করণের দরপত্র আহবান করেন এলজিইডি অফিস। এ রাস্তার প্রাক্কলন  ব্যয়  ধরা হয় ১ কোটি ৬৫ লক্ষ  টাকা। সে মোতাবেক দরপত্রের মাধ্যমে কাজ পান মানিকগঞ্জের সিংগাইরের  বাগুলি গ্রামের  ঠিকাদার আবু সাইদ।। দেড়  মাস আগে রাস্তার কাজ শুরু করে ঐ ঠিকাদার ।

সরেজমিনে দেখা যায় দুই পাশে নিম্নমানের ইটের খোয়া ভেঙ্গে রাস্তার কাজে ব্যবহার করছে।  ঐ ঠিকাদারের বিরুদ্ধে  আরেকটি রাস্তার কাজেও  অনিয়মের  অভিযোগ উঠেছে বলে জানা গেছে।  তার মধ্যে বলধারার গোলাইডাংঙ্গা আব্দুল হকের বাড়ী হতে বড় কালিয়াকৈর বাজার পর্যন্ত রাস্তা পাকা করণের কাজেও বিস্তর  অনিয়ম হচ্ছে। রাস্তা টির দেখভাল করছেন আঃ মালেক। তিনি একজন সার্ভেয়ার হয়েও রাস্তার তদারকির কাজে সংযোগ  রয়েছেন। 

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বলেন, কাজ বন্ধ হওয়ার ভয়ে নিম্নমানের ইট ব্যবহার করিলেও কিছু বলতে পারছিনা। ভাল-মন্দ যাই হোক তবুও তো পাকা রাস্তা পাচ্ছি। যে কয়েক  দিন যায়,  যাক ।  

স্থানীয় ইউপি সদস্য  আব্বাস বলেন,  নিম্ন মানের  ইট ব্যবহারে বাধা দিলেও  কাজের  কাজ কিছুই হয়নি বরং  সেই ইট দিয়েই রাস্তার কাজ চালিয়ে  যাচ্ছেন  ঐ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।  এদিকে সাহরাইল  মানিক নগর রাস্তার  কাজেও ব্যবহার হচ্ছে নিম্ন মানের সামগ্রি ।  দীর্ঘ দিন রাস্তার কাজ বন্ধ  থাকার পর কয়েক মাস ধরে  রাস্তার কাজ চলমান রয়েছে তাতে হচ্ছে অনিয়ম। । ঐ কাজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান  হচ্ছে  সোনার বাংলা কন্সট্রাকশন ।  বকচর ও সাহরাইল রাস্তার কাজের সুপারভিশনের দায়িত্বে রয়েছেন উপসহকারী  প্রকৌশলী  মাহবুবুর  রহমান । দায়িত্বশীলদের সামনেই নিম্ন মান সামগ্রিক দিয়ে রাস্তার কাজ অব্যাহত থাকলেও  সংশ্লিষ্ট কর্তা ব্যক্তি ও    অফিস রহস্য জনক  কারণে   রয়েছেন  নীরব।    এসব রাস্তা  নির্মাণে  সরকারের  কোষাগারের  কোটি কোটি টাকা ব্যয় হলেও টেকসই্ উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে  আর সরকারি  মোটা অংকের  টাকা  হচ্ছে   অপচয় । 

ইউপি চেয়ারম্যান  আব্দুল  হোসেন বলেন,   আমি ইউপি সদস্যের নিকট হতে শুনেছি রাস্তার কাজে নিম্ন মানের ইট ব্যবহার হচ্ছে। যে করেই হোক  নিম্ন মানের ইট ব্যবহার  করতে দেওয়া হবেনা।

উপসহকারী  প্রকৌশলী  মাহবুবুর রহমান  প্রথমে বলেন ঐগুলা  আগের নিম্ন মানের  ইট । এগুলো ইস্টিমেটে ধরা আছে। ভাল ইট দিয়েই  কাজ হচ্ছে। তারপরে  তিনি নিউজ করতে নিষেধ  করেন।

উপজেলা  নির্বাহী প্রকৌশলী  মোঃ ইসমাইল হোসেন  বলেন , কোন ক্রমের নিম্ন মান সামগ্রি দিয়ে রাস্তা নির্মাণের সুযোগ  দেওয়া হবেনা। ঠিকাদারকে  নিম্ন মানের  খোয়া সরিয়ে  নিতে বলা হয়েছে।


বাংলাদেশের খবর

Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.

বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com

অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com

ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১