আপডেট : ০৯ March ২০২৪
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: শিশু শিক্ষার্থীদের শিক্ষার শুরুটাই শুরু হয় প্রাথমিক বিদ্যালয় দিয়ে। সেই বিদ্যালয়েই শিক্ষক না থাকায় পাঠ্যদান যেমন হচ্ছে না তেমনি শিশু শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ শুরুতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। সেই সাথে প্রধান শিক্ষকের পদও শুন্য থাকায় স্কুল গুলো অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে ঐ সব বিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে অর্থের অভাবে ভর্তি করাতেও পারছেন না হাওর পাড়ের অভিভাবকরা। এতে করে অনেক পরিবারের শিশুরা ঝড়ে পরার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে। এমনি ঘটনা ঘটেছে হাওর বেষ্টিত সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে। এদিকে শিক্ষক সংকট চরম প্রর্যায়ে পৌছে যাওয়ায় শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় অভিভবকগন। যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষক সংকট দুর করে শিক্ষার পরিবেশ তৈরী করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ১৩৪টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৬৫টি বিদ্যালয়ে কোনটিতে ২ জন আবার কোনটিতে ১জন করে সহকারী শিক্ষক সংকট রয়েছে। বেশি সহকারী শিক্ষক সংকট রয়েছে শরীফপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ জন শিক্ষকের মধ্যে ৪জন শুন্য,বিরেন্দ্রনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮ জনের মধ্যে ৪ জন, মাহমুদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মন্দিয়াতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪ জনের মধ্যে ৩ জন সহকারী শিক্ষকের পদ শন্য রয়েছে। তাহিরপুর উপজেলা প্রথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ আবুল খায়ের জানান,শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষক দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। এদিকে নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেয়াও হচ্ছে না হলে এর সমাধান করা সহজ হত। এর পরও যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক সংকট রয়েছে পাঠদান চালু রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সুনামগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট রঞ্জিত চন্দ্র সরকার বলেন,হাওর এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে শিক্ষক সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলব। এবং আমার পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করব।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১