আপডেট : ২৯ June ২০২৪
নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীতে পুষ্টিগুণ সম্পন্ন জিং-ধান চাষে উদ্ধুধকরন ও বাজারজাত নিয়ে কৃষক পর্যায়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৯ জুন) দুপুরে পলাশবাড়ী ইউনিয়নের নটখানায় টিএলএম এর কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় জিং-ধানের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে কৃষকদের সাথে সরাসরি কথা বলেন গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইম্প্রোভড নিউট্রিশন (গেইন) এর কনসালটেন্ট ড. মনির হোসেন। জেলা খাদ্য অধিদপ্তরের আয়োজনে গেইনের সহযোগিতায় পুষ্টি সমৃদ্ধ জিং-ধান সামাজিক সুরক্ষায় জলবায়ু বান্ধব এই ধান চাষে কৃষকের সচেতনতা মুলক কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সেলিনা বেগম, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আতিক আহমেদ, সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক তৌহিদুর রহমান, টুপামারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান ও অটোরাইস মিল মালিক সমিতির সভাপতি সামসুল হক প্রমুখ। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, নীলফামারী প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম মঞ্জুরুল আলম সিয়াম, সাধারণ সম্পাদক নুর আলম, কৃষক তারা পদ রায় ও জলঢাকার আজাহারুল ইসলাম। গেইনের কনসাল্টটেন মনির হোসেন জানান, বাংলাদেশ সরকারের কৃষি গবেষণা ইনষ্টিউট পুষ্টি সমৃদ্ধ জিং-ধান উৎপাদনে নতুন ধারা উম্মোচন করেছে। এতে কৃষক শতভাগ সফলতাও পেয়েছে। এখন আমাদের সময় এসেছে বায়োফর্টিফাইড ধানের জাত বি-৭৪, বি-৮৪, বি-৮২ ও বঙ্গবন্ধু ১০০, ১০২ জাতের ধান উৎপাদনে কৃষকদের উৎসাহিত করা। সরকার আগামী ৩০ সালের মধ্যে দেশকে খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ করতে জিং ধান চাষের বিকল্প নেই বলে মনে করেন তিনি। কর্মশালায় বিভিন্ন সেক্টরের কর্মকর্তা, এনজিও কর্মী, কৃষক, কৃষি কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১