বাংলাদেশের খবর

আপডেট : ২৭ July ২০২৪

শ্রীপুরে সড়ক ভেঙে বিপজ্জনক গর্ত,ভাঙা সড়কে ১০ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ,ঝুঁকি নিয়ে যানচলাচল!


শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার কাওরাইদ-বরমী আঞ্চলিক সড়কের একাংশ ভেঙে দেবে গেছে। দুর্ঘটনা এড়াতে ঝুঁকি নিয়ে ধীরগতিতে চলছে যানবাহন। প্রতিদিনই গর্ত বেড়ে আরও খারাপ হচ্ছে সড়কের অবস্থা। স্থানীয়রা সড়কের দেবে যাওয়া অংশের চারপাশে লাল নিশানা ও গাছের ডালপালা ভেঙে বেঁধে দিয়েছে। সরেজমিনে গেলে স্থানীয় একাধিক ভুক্তভোগী জানান, বৃষ্টির পানিতে রাস্তা ভেঙে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

এতে দুই উপজেলার দশটি গ্রামের কয়েক লাখ মানুষ প্রায় এক মাস ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।তারপর এখন পর্যন্ত মেরামতের কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় স্থানীয়দের চরম দুর্ভোগের ভেতর দিয়ে যেতে হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, সড়কটি দিয়ে মোটরসাইকেল, রিক্সা, ইজিবাইক ও অ্যাম্বুলেন্সসহ যানবাহন চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। এর ফলে ধান, চালসহ বাজারে নেওয়া-আনার বোঝা এবং জরুরি চিকিৎসা পেতে রোগীদের নিয়ে এলাকাবাসীর চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। রাস্তা ভেঙে গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় যেকোনো সময় রিক্সা, ভ্যান ও ইজিবাইক উল্টে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

রাস্তাটি দ্রুত মেরামত করে চলাচলের উপযোগী করার জন্য এলাকাবাসী সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।সরেজমিনে উপজেলার কাওরাইদ -বরমী আঞ্চলিক সড়কের সুতিয়া নদীর তীরে কাওরাইদ কেএন উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সড়কের কাওরাইদ বাজার থেকে ১ হাজার গজ দূরত্বে একাংশ ভেঙে দেবে গেছে। গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়ে নিচ থেকে বালু ও মাটি সরে গেছে। এতে সড়কে প্রায় ১০ ফুট গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে। যত সময় যাচ্ছে, ততই গর্তটা বড় হচ্ছে। দেবে যাওয়া গর্তের চারপাশে বেঁধে দেওয়া হয়েছে লাল কাপড়ের নিশানা। ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। স্কুল বাস, ট্রাক, ট্রলি, পিকআপ চালকরা চরম ভোগান্তিতে সড়কের ভাঙা অংশ পার হচ্ছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও কাওরাইদ কেএন উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য মমতাজ উদ্দিন বলেন,অপরিকল্পিত ভাবে সড়কটি নির্মাণ করা হয়েছে।বৃষ্টির পানিতে সড়কের এক পাশ থেকে ভাঙন শুরু হয়েছে প্রায় ২৬ দিন আগে। তা প্রতিদিনই বেড়ে চলছে। এখন প্রায় অর্ধেকের বেশি ভেঙে বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। এরপর আমরা কয়েকজন মিলে লাল নিশানা উড়িয়ে দিয়েছি। যে ধরনের ভাঙন শুরু হয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে ভারী বৃষ্টি হলে সড়ক পুরোপুরি ভেঙে পড়বে।বেলদিয়া গ্রামের বাসিন্দা শারফুল ইসলাম বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কার না হলে পুরো সড়ক দেবে যাবে।

এ গর্তের করণে যান চলাচলে বেশ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক আতিকুল ইসলাম ইসলাম বলেন, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।কাওরাইদ-বরমী আঞ্চলিক সড়কের এ অংশেই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি। একটু অসতর্ক হলেই যেকোনো বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দ্রুত গতির গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করা খুব কঠিন। কারণ দূর থেকে গর্ত বোঝা যায় না। স্থানীয় ইউপি সদস্য ইসলাম বলেন, সড়কের গর্ত আস্তে আস্তে বড় হচ্ছে।

এতে করে পথচারী ও যানবাহনের চলাচলে বেশে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে যতটুকু পারি সড়কের ভাঙা অংশ মেরামত করার চেষ্টা করব।কাওরাইদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল আজিজ বলেন কোনো বরাদ্দ নেই রাস্তা সংস্কারের জন্য। তারপরও দ্রুত সময়ের মধ্যে ভাঙা রাস্তা মেরামত করা হবে। এ ব্যাপারে শ্রীপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. আব্দুস ছামাদ বলেন, আমি আগামীকাল সকালে অফিসে গিয়ে লোকজন পাঠিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে ভাঙা অংশ মেরামত করার ব্যবস্থা করবো।


বাংলাদেশের খবর

Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.

বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com

অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com

ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১