বাংলাদেশের খবর

আপডেট : ১০ August ২০২৪

নীলফামারীতে বাজার মনিটরিং এ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা


নীলফামারী প্রতিনিধি:

দ্রব্য মুল্যের উর্দ্ধগতি রোধ এবং বাজার অস্থিতিশীল প্রতিরোধে মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন নীলফামারী জেলা শাখার শিক্ষার্থী ও জনতা।

শনিবার (১০ আগষ্ট) সকালে নীলফামারী জেলা শহরের শাখামাছা বাজারে গিয়ে এই কার্যক্রম পরিচালনা করে তারা। এসময় চাল, আটা, মাছ, মাংস, মরিচ, পেঁয়াজ কাঁচা বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে গিয়ে সরকার নির্ধারিত দরে ভোক্তাদের কাছে পণ্য বিক্রি করার আহবান জানান তারা।

বৈষম্য বিরোধী নীলফামারী ছাত্র আন্দোলন জেলা শাখার নেতা স্বরণ বলেন, সরকার কতৃক নির্ধারিত মূল্যের চার্ট প্রত্যেক দোকানে টাঙ্গাতে হবে। মেমো বহিভূত কোন প্রকার পণ্য দোকানে বেচাকেনা করা যাবে না। তবে কিছু পণ্যের দাম অন্তবর্তি সরকারের উপদেষ্ঠারা আলু প্রতি কেজি ৪০ টাকা, পেঁয়াজ ৭০ টাকা, লবন মোটা প্যাকেট প্রতি কেজি ৩০ টাকা, সোয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৪০ টাকা, পে্েরট্রাল প্রতি লিটার ১২৫ টাকা, গরুর মাংস ৬৫০ টাকা, খাসির মাংস ৮০০ টাকা, ব্রয়লার ১৪০ টাকা, দেশি মুরগি ৪০০ টাকা।

এছাড়াও, দুধ (শহরে) প্রতি কেজি ৬০ টাকাও গ্রামে প্রতিকেজি ৫০ টাকা দরে বিক্রির জন্য ঘোষনা দিয়েছেন। ছাত্ররা প্রাথমিকভাবে প্রত্যেক দোকানদারকে ওজনে কম না দেয়াসহ ন্যায্য মূল্যে এসব পণ্য কেনাবেচার জন্য অনুরোধ করেন।

ছাত্র নেতা তামিম বলেন, একশ্রেণীর অসাধ্য ব্যবসায়ি বাজার পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে নিজের ইচ্ছেমতো অতিরিক্ত দাম হাতিয়ে নিচ্ছে। তিনি বলেন, কোটা বিরোধী আন্দোলনের পর আমরা ছাত্র জনতা মিলে ভোক্তাদের স্বস্তি ফেরাতে বাজারে কাজ করে যাচ্ছি।

জেলা শহরে বড় বাজারের মোদি ব্যবসায়ী আবু সাইদ মিলন জানান, এস আলম কোম্পানি থেকে মালামাল ক্রয় করলে মেমো বা প্রাপ্তি রশিদ দেয় না। এছাড়াও প্রতি ড্রামে (১৮৬ কেজি) তিন থেকে চার কেজি করে সোয়াবিন তেল কম দেয়। তারা ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত মুনাফা হাতিয়ে নিচ্ছে। বাজার মনিটরিং অব্যাহত থাকলে ভোক্তরা স্বস্তি ফিরে পাবে। কোম্পানী মালিকরা সুযোগের সৎ ব্যবহার করে বাজার ব্যবস্থাকে অস্থির করে তুলছে। এ অবস্থায়, ভোক্তাদের নাভিশ্বাস উঠেছে।

অপরদিকে, একই বাজারের মোদি ব্যবসায়ী তাপস কুমার ভৌমিক অভিযোগ করে বলেন, সিটি গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ ও মালটি গ্রুপপ্রতি ড্রামে কম দেয় এককেজি করে। আর প্রভাব পড়ে ভোক্তাদের ওপর। তেলা কেনার পর মেমো বা রশিদ চাইলে উল্টো ঝাড়ি (গালমন্দ) খাইতে হয় তাদের। বিশেষ করে দেশের মৌলভি বাজার ও খাতুন গঞ্জের বড় বড় ব্যবসায়ীরা খুচরা ব্যবসায়ীদের চাপের মুখে রেখে বাজারে ব্যবস্থাকে অস্থির করে তুলছে।

তৈয়ব আলী সরকার নীলফামারী।


বাংলাদেশের খবর

Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.

বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com

অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com

ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১