বাণিজ্যিকভাবে গোলাপ ফুল চাষ করে ব্যাপক সাফল্য পাচ্ছেন কুমিল্লা বরুড়া উপজেলার কৃষক চারু মিয়া। জেলার কোথাও বাণিজ্যিকভাবে ফুল চাষ না হলেও এ চাষীর সাফল্য তাক লাগিয়ে দিয়েছে অন্য কৃষকদের। এখানকার উৎপাদিত গোলাপের রয়েছে আলাদা বৈশিষ্ট্য। বাজারে এর চাহিদাও বেশী। কুমিল্লা জেলার চাহিদা মিটিয়ে গোলাপ যাচ্ছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। মাটি উর্বর হওয়ায় ফলনও হচ্ছে ঢের। এতে আশা জাগাচ্ছে আশাপাশের কৃষকদের।
চারু মিয়ার গোলাপ চাষ দেখে বিস্মিত স্থানীয় কৃষকরা। তারা তার সাফল্যের গল্প বলে বেড়ান এলাকা জুড়ে। তার ব্যবসায় ব্যাপক সাফল্যে গর্বিত তারাও। গোলাপ চাষ লাভজনক ও চাহিদা থাকার কারণে গোলাপ চাষের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এতে কৃষি অধিদপ্তরের সহযোগিতার পাশাপাশি আর্থিক সহায়তারও প্রয়োজন। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দপ্তর আরো আন্তরিক হবেন এমনটাই প্রত্যাশা কৃষকদের।
গেল কয়েক বছর ধরে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন স্থানে ফুল চাষ করে কৃষকরা সাফল্য পাচ্ছিল না। গত কয়েক বছর জেলার হোমনা, মুরাদনগর, তিতাস,সদর উপজেলাসহ বেশ কয়েকটি উপজেলায় গোলাপ চাষ শুরু হলেও সাফল্য আসেনি। সাফল্য না আসায় মাঝপথে বন্ধ হয়ে যায় গোলাপ চাষ। তবে ফুল চাষে সাফল্য পেয়েছেন জেলার বরুড়া উপজেলার কৃষক চারু মিয়া। বেশ কয়েক বছর ধরে তিনটি জমির ত্রিশ শতাংশে জমিতে গোলাপ চাষে লাভবান হচ্ছেন তিনি। নানা জাতের গোলাপ ফুটছে তার জমিতে। বিক্রি হচ্ছে কুমিল্লাসহ ঢাকা, চট্টগ্রামে। শুরুতে শখের বশে হলেও লাভ হওয়ায় এখন তা পেশায় পরিণত হয়েছে।
কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের, উপ-পরিচালক দিলীপ কুমার অধিকারী জানান, কুমিল্লা জেলার জমি উর্বর হওয়ায় সব ধরনের ফসল ফলে। তবে ফুলের ক্ষেতে এই প্রথম সাফল্য। আর সহায়তা দিতে এগিয়ে আসার কথা জানান কৃষি অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।





