নড়াইল জেলায় করোনায় সংক্রামনের হার গত কয়েক দিনের তুলনায় কম। গত ২৪ ঘন্টায় ২শ ৪৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৬৭ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে, শনাক্তের হার ২৭.৪৫ । মৃত্যু হয়েছে ১ জনের।
এদিকে করোনা সংক্রামণ ঠেকাতে জেলায় চলছে ২২ দিনের মত সর্বাত্মক কঠোর লক ডাউন । আজ সোমবার জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ নাছিমা আক্তার স্বাক্ষরিত তথ্যে সূত্রে জানা গেছে, জেলায় ৬৭ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ১ জনের। করোনা ভাইরাস সংক্রামনের নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার শতকরা ২৭.৪৫ জন। ৩ শত ৮০ জনের রিপোর্ট পেন্ডিং রয়েছে। সদর উপজেলায় ২২ জন, লোহাগড়ায় ২৯ জন এবং কালিয়া উপজেলায় ১৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৩৬ জন। জেলায় করোনায় এ পর্যন্ত মারা গেছে ৬৮ জন। জেলায় এ পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ৪শত ৫৬ জনের করোনা পজেটিভ হয়েছে। এর মধ্যে সদরে ১ হাজার ৭ শত ৬৭ জন, লোহাগড়ায় ১হাজার ১শত ৬৭ জন ও কালিয়ায় ৫ শত ২৫ জনের করোনা পজেটিভ। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে ২ হাজার ৪ শত ২৮ জন সুস্থ হয়েছে। আজ সোমবার পযর্ন্ত ৯ শত ০৪ জন করোনায় আক্রান্ত আছে।
সকাল থেকেই জেলার নড়াইল সদর ,লোহাগড়া ,কালিয়া উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও গুরত্বপূর্ন স্থানে সেনাবাহিনী বিজিবি, পুলিশ ও আনসারকে টহল দিতে দেখা গেছে। লক ডাউন সফল করতে জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশি চেকপোষ্ট বসানো হয়েছে। জেলায় প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসন কর্তৃক প্রজ্ঞাপনে লকডাউনের নীতিমালা অনুসরণ করে শুধু মাত্র কাঁচাবাজার, মাছ, ফলের দোকান খোলা থাকছে । জেলা প্রশাসন ,পুলিশ প্রশাসন ও পৌরসভা থেকে জনসচেতনতা মূলক বার্তা প্রচারসহ সাধারন জনগনকে ঘরের বাইরে বাহির হতে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।
এদিকে নড়াইলে কোভিড-১৯ এর সংক্রামন প্রতিরোধের কারণে সাধারন মানুষকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে রবিবার সকাল-থেকে রাত পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে নড়াইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি কমিশনার (ভূমি), কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটগনের নেতৃত্বে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালিত হয়।
এ সময় স্বাস্থ্য বিধি মেনে না চলা ও মাস্ক পরিধান না করা এবং সরকার ঘোষিত লক ডাউনের আইন অমান্য করার অপরাধে সংক্রামন রোগ (প্রতিরোধ,নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল আইন-২০১৮), ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন এবং সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ আইনের আওতায় ১৯ জনকে মোট ২১ হাজার ৪ শত টাকা জরিমানা প্রদান করে। এ সময় ১৯টি মামলা দায়ের করা হয়।





