পদ্মার বুকে কৃষি বিপ্লব

ছবি: বাংলাদেশের খবর

সারা দেশ

পদ্মার বুকে কৃষি বিপ্লব

  • সেলিম সানোয়ার পলাশ, গোদাগাড়ী (রাজশাহী)
  • প্রকাশিত ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

উপজেলার ৬ নং মাটিকাটা ইউনিয়নে পদ্মার বুকে গড়ে উঠা পলি মাটির চরে ঘটেছে কৃষি বিপ্লব। এলাকার কৃষকরা চরে চাষাবাদ করে সাবলম্বী হয়ে উঠছে। এদিকে পদ্মার চরে কৃষি বিপ্লব ঘটলেও এ জমি সরকারিভাবে আবাদি জমি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়নি এখনো। ফলে কৃষকরা সরকারি সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত হচ্ছে।

জানা গেছে, মাটিকাটা ইউনিয়নের প্রেমতলী নিলবুন চর হতে মাটিকাটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার হেক্টোর আবাদি জমি জেগে উঠেছে পদ্মার বুকজুড়ে। পদ্মাপাড়ের কৃষকেরা এ জমি চাষ আবাদ করছেন। জেগে উঠা আবাদি জমিতে ধান, ভুট্টা, চিনা, রসুন, পেঁয়াজ, মসুর, খেসারি, মটর, সরিষা, বাদাম, লাউ, কুমড়া, পটল, করলা, ঢেঁড়শসহ বিভিন্ন ধরনের ফসল ফলছে।

ভুক্তোভোগী কৃষক জাবা বলেন, ১০ থেকে ১২ বছর ধরে পদ্মার বুকে গড়ে উঠা জমিতে আবাদ করে আসছি।

মাটিকাটা ইউপির ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার রফিকুল ইসলাম বলেন, কৃষকদের কথা চিন্তা করে পদ্মার বুকে গড়ে উঠা জমির নকশা তৈরি করে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে জমিগুলোতে অন্তর্ভুক্তের আবেদন করলে তিনি তা গ্রহণ করেননি। তিনি বলেন, এ জমিগুলো সরকারিভাবে আবাদি জমি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হলে কৃষকরা এর সুফল পাবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে পদ্মার চরে গড়ে উঠা জমিগুলো আবাদ হচ্ছে সেগুলো আবাদি জমি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত আছে। যেগুলো বাকি আছে সেগুলো আবাদি জমি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য উপ-পরিচালককে জানানো হয়েছে। যেসব জমিগুলো গড়ে উঠে এবং দুই ও এক বছরের মধ্যে ভেঙে যায়, সেগুলো আবাদি জমি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তিনি আরো বলেন, পদ্মার চরের জন্য সার বরাদ্দ দেওয়া আছে। কৃষকরা সার পাবে, যদি কোনো ডিলার কৃষকদের সার না দেয় জানতে পারলে সেই ডিলারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads