বগুড়ায় মোটর মালিক গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সরকার দলীয় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় আওয়ামী লীগ-যুবলীগের পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মীর নামে পৃথক তিনটি মামলা হয়েছে।
আজ বুধবার বগুড়ার সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ুন কবীর এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে মটর মালিক গ্রুপের এক পক্ষে ডাকে পরিবহন ধর্মঘট আংশিক পালিত হচ্ছে। বগুড়ার চারমাথা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল চত্বরে সকাল থেকেই বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। একপক্ষ পরিবহন ধর্মঘট আহবান করায় চারমাথা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে কোন বাস ছেড়ে যায় নি। তবে বগুড়ার উপর দিয়ে ঢাকাসহ দুরপাল্লার বাস চলাচল অব্যাহত রয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
এদিকে মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারী) চারমাথা বাসটার্মিনাল চত্বরে দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় পুলিশ কনস্টেবল রমজান আলীকে ছুরিকাঘাতসহ সরকারী কাজে বাধা প্রদানের অভিযোগে পুলিশ পরিদর্শক মোয়াজ্জেম হোসেন নান্নু খান বাদী জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মোহনসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে আড়াইশ নেতাকর্মীর নামে মামলা করা হয়েছে। অপরদিকে মোটে মালিক গ্রুপের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও যুবলীগ নেতা আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে তার অফিস ভাংচুর অগ্নিসংযোগের অভিযোগ এনে আওয়ামীলীগ নেতা মঞ্জুরুল আলম মোহনকে প্রধান আসামী করে ৫২ জনের নাম উল্লেখ করে দেড় শতাধিক নেতা কর্মীর নামে আরেকটি মামলা করেছেন।
এছাড়াও মঞ্জুরুল আলম মোহনের পক্ষে তার ছোট ভাই মশিউল আলম দীপন বাদী হয়ে পেট্রল পাম্প ভাংচুর, বাস ভাংচুরের অভিযোগে আমিনুল ইসলামকে প্রধান আসামী করে শতাধিক নেতা কর্মীর নামে মামলা দায়ের করেছেন।





