ভ্রাম্যমাণ বুথে দেওয়া হয়েছে করোনার টিকা

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

সারা দেশ

আখাউড়ায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

ভ্রাম্যমাণ বুথে দেওয়া হয়েছে করোনার টিকা

  • আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

সারা দেশে আজ এক কোটি মানুষকে করোনা ভাইরাসের প্রথম ডোজ টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। টিকা পেতে কোনো ধরনের নিবন্ধন কিংবা কাগজপত্র লাগবে না। যাদের জন্মনিবন্ধন বা জাতীয় পরিচয়পত্র নেই, এমন ব্যক্তিরাও নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে গিয়ে আজ টিকা গ্রহন করছেন। তবে প্রতিটি টিকা কেন্দ্রে ছিলো লোকদের উপচে পড়া ভিড়।

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় শনিবার সারা দেশের ন্যায় টিকাদান কর্মসূচি অব্যাহত আছে। গণটিকা নিতে সারা দেশে এক কোটি মানুষের একদিনের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ উপজেলায়ও টিকা দেয়া হয়। স্বাভাবিক টিকা দেয়ার পাশাপাশি নেওয়া হয়েছে একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগও। ভ্রাম্যমান বুথ স্থাপন করে সাধারণ লোকজনকে দেওয়া হয়েছে করোনার টিকা। পৌর শহরের রেলওয়ে স্টেশন, কৌড়াতলী ইটভাটায় এবং খড়মপুর মাজার এলাকায় এই ৩টি স্থানে ভ্রাম্যমান বুথ কেন্দ্রে ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হয়। ওইসব ভ্রাম্যমান বুথে আগ্রহ নিয়ে লোকজন এসে করোনার প্রথম টিকা গ্রহন করেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, যেসব ব্যক্তিরা হাটে বাজারে অবস্থান করছেন, যারা খুব অসুস্থ বাসায় অবস্থান করছেন টিকা দিতে আসতে পারেন না। তাদের জন্য বাজারে, বাড়িতে , রেলওয়ে স্টেশনে, গুরুত্বপূর্ণ স্থান মাজার এলাকায় টিকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাছাড়া নানা কারণে যারা টিকা কেন্দ্রে আসতে পারবেন না তাদের জন্য এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়। দিনব্যাপি ভ্রাম্যমাণ টিকা দেয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আক্তার বলেন, ভ্রাম্যমাণ টিকা বুথে যারা আসছেন তাদের সবাইকে টিকা দেওয়া হচ্ছে। সুশৃঙ্খল ভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে তারা টিকা গ্রহন করে। তবে ভ্রাম্যমান টিকা কেন্দ্র মানুষের কাছাকাছি পৌঁছায় ভালো সারা পেয়েছে। তিনি আরও বলেন জন্মনিবন্ধন বা পরিচয়পত্র না থাকলে মুঠোফোন নম্বরের মাধ্যমে টিকা কার্ড করে দেওয়া হচ্ছে। এ কার্ডই টিকার প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে বলে জানায়।

করোনার টিকা নেওয়া আখাউড়া রেলওয়ে জংশন রেলওয়ে স্টেশন এলাকার লিমা আক্তার ও বিলকিছ বেগম বলেন, এতো দিন তারা নানা সমস্যা থাকায় ইচ্ছা থাকা সত্বেও করোনা টিকা নেওয়া সম্ভব হয়নি। আজ ভ্রাম্যমাণ টিকা বুথ পেয়ে তারা প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন বলে জানায়। এমন উদ্যোগ না নেওয়া হলে হয়তোবা টিকা দেয়া হতো না। এ জন্য তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে সাধুবাদ জানাই।

খড়মপুর এলাকার মুর্শেদ মিয়া বলেন, তার জন্মনিবন্ধন বা জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় এতো দিন সে টিকা নিতে না পাড়ায় দুশ্চিন্তায় পড়ে ছিল। সরকার সুযোগ করে দেওয়ায় আজ টিকা নিয়েছেন বলে জানায়।

এদিকে সকালে আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ টিকা বুধের উদ্বোধন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মো: হিমেল খান। এসময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকও স্বাস্থ্যকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads