মেঘনা ধনাগোদা বেড়িবাঁধের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ বৃহস্পতিবার

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

সারা দেশ

মেঘনা ধনাগোদা বেড়িবাঁধের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ বৃহস্পতিবার

  • চাঁদপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ১৯ জুন, ২০২১

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের বাঁধ ও নদী তীর প্রতিরক্ষা কাজ সংলগ্ন সকল ধরণের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। আগামী বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধিগ্রহণকৃত ভূমির এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে।

শনিবার সকালে সেচ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশের খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৮৭-১৯৮৮ অর্থ বছরে এই সেচ প্রকল্পটি নির্মাণ করা হয়। যার আয়তন ৬৪ কিলোমিটার। এর মধ্যে বসতবাড়িসহ ফসলি জমি রয়েছে ১৭ হাজার ৫শ’ ৮৪ হেক্টর। কিন্তু পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধিগ্রহনকৃত জমি অবৈধভাবে দখল ও স্থাপনা তৈরী করায় ভূমির পরিমান কমে আসছে। এছাড়াও জমির শ্রেনী পরিবর্তন না করে ফসলি জমিতে বাড়ী ঘর নির্মাণ করায় প্রতিবছরই সেচ প্রকল্পের ফসল উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে।

এদিকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার বিষয়ে বেড়িবাঁধ এলাকায় গত বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) থেকে মাইকিং শুরু করা হয়েছে।

মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, আগামী ২৪ জুন বৃহস্পতিবার  নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সহযোগিতায় মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও নদীর তীর প্রতিরক্ষা কাজ সংলগ্ন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধিগ্রহণকৃত ভূমি হতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।

তিনি বলেন, উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনার পূর্বে অবৈধ স্থাপনা বালু ও ইটসহ অন্যান্য মালামাল নিজ দায়িত্বে অপসারণের জন্যে মাইকিং করে মালিকদের অনুরোধ করা হেেচ্ছ। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক মালামাল ও স্থাপনা অপসারণসহ নিলামের ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি আরো বলেন, সেচ প্রকল্পের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও নদীর তীর প্রতিরক্ষার জন্যে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। এ জন্যে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগসহ সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। বাধ এলাকায় আরো মাইকিং করা হবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads