গাজীপুরের শ্রীপুরে কর্মরত সাব রেজিস্টার (সম্প্রতি অবসরে) সৈয়দ নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে তদন্ত দল। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের কথা বলেছেন জেলা রেজিস্টার মোকলেসুর রহমান । এ ঘটনায় সংশি¬ষ্ট ১৫ দলিল লেখকের সনদও বাতিল করা হয়েছে।
দলিল লেখকরা জানান, শ্রীপুর উপজেলা এসআর (সাবরেজিস্ট্রি) অফিসে সাব রেজিস্ট্রার হিসাবে মনিরুল ইসলামকে নিযুক্ত করা হয়েছিল। তিনিও দুর্নীতিবাজ এমন অভিযোগ এনে দলিল লেখকরা আন্দোলন শুরু করেন। দলিল লেখকদের আন্দোলনের মুখে সাব রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলাম কর্মস্থলে যোগ দিতে পারেননি। পরে তিনি দায়িত্ব থেকে অব্যহতি নিয়েছেন। পরে জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার সাবরেজিস্ট্রারকে নিযুক্ত করা হলে তিনিও অব্যহতি নেন।
এর মধ্যে ওই অফিসের বিদায়ী সাবরেজিস্ট্রার সৈয়দ নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ২৪ দলিলের মাধ্যমে সরকারি জমি রেজিস্ট্রি করার অনিয়মের অভিযোগ উঠে। পরে এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এ বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা পায় কমিটি তদন্ত দল। পরে এ সাবরেজিস্ট্রার ও দলিল লিখকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সনদপত্র বাতিল হওয়া কোনো দলিল লেখক সাংবাদিকদের কাছে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি।
শ্রীপুর দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান মন্ডল বলেন, এ বিষয়ে তেমন কিছু জানি না। সব কিছু জেনে পরে বিস্তারিত বলতে পারব।
অভিযুক্ত সাব রেজিস্টার (সদ্য সাবেক) সৈয়দ নজরুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জেলা রেজিস্ট্রার মোকলেসুর রহমান বলেন, দূর্নীতির মাধ্যমে সরকারি জমি রেজিস্ট্রি করার অভিযোগ প্রমাণ পেয়ে সৈয়দ নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ সব ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে অভিযুক্ত হওয়ায় ১৫ দলিল লিখকের সনদপত্র বাতিল করা হয়েছে। কয়েকদিরে মধ্যেই ওই কার্যালয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।দুর্ভোগ কমে যাবে সেবা গ্রহনকারীদের বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।





