ভোটের দ্বন্দ্বে আবার নোয়াখালীর সুবর্ণচরে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে এক নারীকে দলবেঁধে ধর্ষণ ও তার স্বামীকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত রোববার রাতের এ ঘটনায় ওই নারী ও তার স্বামীকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপক জ্যোতি খিসা গতকাল সোমবার সকালে হাসপাতালে তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। এ ছাড়া পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
চিকিৎসাধীন ওই নারী সাংবাদিকদের বলেন, আমরা সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী তাজউদ্দিনের (চশমা) সমর্থক হিসেবে তার পক্ষে কাজ করছি। এ নিয়ে অপর ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী ফরহাদ চৌধুরী বাহারের (তালা) সমর্থক ইউসুফ মাঝি ও তাদের লোকজন আমাদের হুমকি দেয়। তারা আমাদের বাহারকে ভোট দিতে বলে। বাহারকে ভোট না দিলে ভোটকেন্দ্রে যেতে নিষেধ করে। গত রোববার আমরা ভোটকেন্দ্রে গেলে তারা আমাদের ওপর চড়াও হয়ে জানতে চায় আমরা কেন ভোটকেন্দ্রে এসেছি। তারপর তারা আমাদের বাহারকে ভোট দিতে বলে। এ নিয়ে সেখানে তাদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়। এরপর ভয়ে তারা এক আত্মীয়র বাড়িতে আশ্রয় নেন জানিয়ে ছয় সন্তানের এই মা বলেন, সন্ধ্যায় তিনি ও তার স্বামী মোটরসাইকেলে করে বাগ্গা গ্রামে বাড়ি ফেরার পথে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটানো হয়। ইউসুফ মাঝির নেতৃত্বে ১০-১২ জন আমাদের পথ রোধ করে। আমার স্বামীকে মারধর করে আটকে রাখে। আর বেচু মাঝি, বজলু ও আবুল বাসার আমাকে পাশে রুহুল আমিনের মৎস্য খামারে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে তার স্বামীর চিৎকারে এলাকার লোকজন গিয়ে তাদের উদ্ধার করে রাতেই হাসপাতালে পাঠায় বলে তিনি জানান। নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম বলেন, ওই নারী ও তার স্বামীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ধর্ষণের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার জন্য পরীক্ষা করা হবে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপক জ্যোতি খিসা বলেন, অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





